Travel videos

ঢাকা-দিল্লি-কাঠমান্ডু বিমান যাত্রা।

ব্লগটি পড়তে চলে যান এই লিঙ্ক এ — https://suvojatra.com/গরিবের-নেপাল-ভ্রমনপর্ব-১

নেপাল ভ্রমনের প্লান করলাম যখন একটা সংস্থা এর  প্রোগ্রাম এর ডাক পেলাম। তারা আমাকে ঢাকা-দিল্লি-কাটমান্ডু এর টিকেট পাঠিয়ে দিল ১ মাস আগে। ৪ দিনের প্রোগ্রাম যদিও আমি ছিলাম ৩ দিন। আর ১৫ দিন ঘুরার প্লান করে ফিরতি টিকেট এর তারিখ বলায় ওরা সেইভাবেই কেটেছিল। জানুয়ারি মাসের ১৩ তারিখ। আমার ফ্লাইট সকাল ৯ টায়। বাসা সাভারে হওয়ায় উত্তরায় পরিচিত এক বড় ভাইয়ের বাসায় গিয়ে থাকি। সকাল ৬ টায় চলে যাই এয়ারপোর্টে। বাংলাদেশ এয়ারপোর্ট আমার বরাবর অসহ্য লাগে। বোরডিং পাস নিয়ে ইমিগ্রেশন এ দাড়ালাম, আমাকে যেতে দিবেনা ভিসা না থাকায় (নেপাল আমাদের অন এরাইভাল ভিসা দেয়, মানে এয়ারপোর্টে নামার পর ওরাই ভিসা দিয়ে দেয়,আমাদের আর অগ্রিম নেওয়া লাগে না)। ইমিগ্রেশন অফিসার আমাকে পাঠাল ইমিগ্রেশন ইনেস্পেক্টর এর কাছে। উনি ইমিগ্রেশন লাইনের একটু পাশেই বসেন। উনাকে বললাম আমাকে ডিপারচার সিল দিচ্ছে না। উনি বললেন যাও আমার কথা বল আমি দিতে বলছি।

 বলার সাথে সাথে সিল দিয়ে দিল। এখানে বলে রাখি, ঢাকা এয়ারপোর্ট ইমিগ্রেশন ইয়ং দেখলে একটু ঝামেলা পাকায় যদিও তার যথেষ্ট কারন আছে, কারন আমরা অনেকেই দেশ ভ্রমনে গিয়ে আর ফিরে আসি না। যাইহোক, ইমিগ্রেশন শেষ করে বিমানে এসে বসলাম, জেট এয়ারওয়েজ এর ফ্লাইট দিল্লির জন্য ছেড়ে গেল।ঢাকা-দিল্লি ফ্লাইট এ সময় লাগে ৩.৩০ ঘন্টার মত। দিল্লি পৌছে আমি পরের ফ্লাইট গেট এ গিয়ে বিমানে বসি। দিল্লি-কাটমান্ডু ফ্লাইট এর সময় লাগবে ১ ঘন্টা। বিমানে খাবার দিবে বলে আর কিছুই খেলাম না। সময় হলে চলে আসি কাঠমান্ডু তে। এই এয়ারপোর্ট নিয়ে ত সবাই জানেনই যে এটা দুনিয়ার অন্যতম ভয়ানক এয়ারপোর্ট যেখানে অনেক দূরঘটনা ঘটে থাকে। আমার ফ্লাইট ঠিক মতই ল্যান্ডিং করল। খুব ছোট্ট এয়ারপোর্ট। বাইরে বেশ ঠান্ডা। মোটামুটি ৭ ডিগ্রি যা আমার জন্য অসহ্যকর  

 ।

Related posts
Travel videos

নৌকায় চড়ে ফেওয়া লেক ভ্রমন।

Sign up for our Newsletter and
stay informed
[mc4wp_form id="14"]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *